পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কটু কথা: সাঘাটা–ফুলছড়ির কষ্টমুখী রাজনৈতিক বাস্তবতা

 কবিতার নাম: কটু কথা লেখক: এস এফ সেলিম আহম্মেদ কটু কথা আজও মাঠে বাজে, সাঘাটা–ফুলছড়ির চোখে আঁচড় দেয়। রাস্তা ভাঙা, ঘাট ভাঙা, নদী কেটে যায়— নেতার মাইক আর হাসিটাই শুধু সামনে থাকে। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি ঝরে নদীর মতো, ভোটের পরে খালি ঘর, খালি মন, শুধু ধুলো-মাটি। ছবিতে হাসি, লাইভে শো, কিন্তু ঘরে ঘরে মানুষ কাঁদে, কেউ দেখে না, কেউ শোনে না। নাম ঘোষণার পর সবাই “মাটির সন্তান”, ১৭ বছর ধরে সেই মাটিতেই কাঁদেছে মানুষ। স্লোগান যত দেশপ্রেমিক, পকেট তত ভারী, ঘরে অন্ধকার চিরকাল, সেইটাই বাস্তব দৃষ্টি। চায়ের দোকান, ফেরি, রাস্তাঘাট— সবাই জানে, কার কাজ, কার শো, কার অভিনয়। নাটকের ভোট, ফাঁকা প্রতিশ্রুতি— শেষে জনগণই ঠকে। নেতারা শুধু রং বদলায়, চরিত্র বদলায়, কিন্তু কষ্ট? ওটা চিরকালই অম্লান। #গাইবান্ধা৫ #সাঘাটাফুলছড়ি #রাজনৈতিকব্যঙ্গ #জনগণকেসত্য #বাংলাদেশরাজনীতি #নির্বাচন২০২৫ #কষ্টকেন্দ্রিক #সত্যকথা #ছন্দময়ব্যঙ্গ #SFSelimAhmmed

যমুনার ঘাটে শীতের চিন্তন: আধুনিক প্রেম ও দার্শনিক কবিতা

যমুনার ঘাটে শীতের চিন্তন কবি, এস এফ সেলিম আহম্মেদ। হাওয়া ঠোঁট ছুঁয়ে যায়, তুমি ভেসে আসো ছায়ার মতো, পানির প্রতিফলনে ভাঙে আলো, আর ভাঙে আমি—তুমি। শীতল বাতাসে মুহূর্তের ওজন বুঝি, আমরা শুধু নীরব দর্শক, নদীর ঢেউয়ের সাথে মিলিয়ে যাচ্ছি। কল্পনার নৌকায় ভেসে যায় অজানা অনন্ত, চোখে চোখে সময় থেমে যায়, বাতাসে প্রেমের ফিসফিস। পাতার কোণে জমে থাকা শিশির বলে—সবই ক্ষণস্থায়ী, তবু তোমার স্পর্শে আমি ভাসি, অমর একটা ক্ষণে। নদী জানে, আমরা শুধু গল্প, তবু তাড়াহুড়ো নেই, শীত আসে, হাওয়া যায়, আর আমরা ধীরে ধীরে মিলি—নীরব, অব্যর্থ। চাঁদের আলো খোঁজে তোমার গায়ের রেখা, প্রতিটা ছোঁয়া মনে করায়—আমি আছি, তুমি আছো, সবই মুহূর্ত। এই ঘাটে প্রেমের মন্ত্র, শীতের নীরবতা, সব মিলিয়ে যায় এক দার্শনিক, কাল্পনিক জগতে—আমাদের। #যমুনারঘাট #শীত #প্রেম #দার্শনিককবিতা #কাল্পনিকদৃশ্য #ভালোবাসা #আধুনিককবিতা

সাধুর বেশে করছে ওরা ভণ্ডামি | ভণ্ড রাজনীতিক ও মুখোশধারীদের exposed কবিতা

 🕊️ সাধুর বেশে করছে ওরা ভণ্ডামি ✍️ কবি: এস এফ সেলিম আহম্মেদ। 🔹 ভূমিকা আজকের সমাজে অনেকেই “সাধু” বা “জনতার বন্ধু” সেজে আসলে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করছে। তাদের মুখে থাকে ধর্ম, নীতি আর দেশপ্রেমের বুলি — অথচ অন্তরে লুকিয়ে থাকে ক্ষমতার লোভ, দুর্নীতি আর প্রতারণা। এই বাস্তবতাকেই তুলে ধরা হয়েছে নিচের কবিতায় — 🪶 কবিতা: সাধুর বেশে করছে ওরা ভণ্ডামি সাধুর বেশে করছে ওরা ভণ্ডামি, জনতার সামনে হাসে, ভিতরে দামি নামি। ভোটের দিনে আসে আশীর্বাদ বিলিয়ে, পাঁচ বছর পরে খোঁজ মেলে না নিলে। দেশসেবার বুলি মুখে ঘোরে গানে, অফিস-আদালতে লুট চলে টেবিলখানে। আলোর মিছিল তুলে আঁধারই বাড়ায়, সত্যের নামে মিথ্যা বক্তৃতা ছড়ায়। ব্যানার টানিয়ে বলে — "জনতার বন্ধু", আসলে ভিতরে ক্ষমতার কুন্ডু। দরিদ্রের চোখের জল মাপে ভোটে, বুকে পতাকা, পেটে বিদেশী নোটে। ওদের নীতি কেবল মুখের বুলি, জনতার রক্তে লিখে নিজস্ব তুলি। সত্য বললে তুমি “বিরোধী” নাম পাবে, তারা সাধু সাজে, তুমিই দোষে যাবেনা তবেই। তবু একদিন খুলবে মুখোশ সবই, জেগে উঠবে মানুষ, গাইবে নতুন রবই— “সাধুর বেশে যারা করেছিল ভণ্ডামি, জনতার বিচারেই শেষ হবে সে দামি।” 🔹 উপসংহার ...