ভাঙা মানুষের নীরবতা | গভীর আবেগের বাস্তব জীবনভিত্তিক দার্শনিক কবিতা | SF Selim Ahmmed
ভাঙা মানুষের নীরবতা
কবি: এস এফ সেলিম আহম্মেদ।
তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬ ইং।
রাত গভীর হলে
সব শব্দ ধীরে ধীরে মরে যায়—
শুধু একা একটা মানুষ
চুপচাপ বসে থাকে
ফোনের নীরব আলোয়,
যেখানে কোনো উত্তর আসে না,
শুধু অপেক্ষা জমে থাকে।
কিছু নদী আছে—
যারা বাধা পেলে চিৎকার করে না,
শুধু নিঃশব্দে দিক বদলে নেয়।
ঠিক তেমনই কিছু মানুষ
ভেতরে ভেঙে পড়েও
বাইরে কিছুই বলে না।
ঘরের কোণে বসে থাকা মানুষটা
হাসে ঠিকই,
কিন্তু সেই হাসির ভেতরে
অনেক অদেখা ভাঙন লুকিয়ে থাকে—
যা কেউ কখনো বোঝে না।
চোখ দুটো ক্লান্ত হয়ে যায়,
কিন্তু অশ্রু নেমে আসে না সহজে—
কারণ সে শিখে গেছে
নিজের কষ্টকে লুকিয়ে রাখতে।
জীবন এখানে খুব সহজ না,
এটা কোনো গল্প নয়—
এটা প্রতিদিন টিকে থাকার যুদ্ধ,
নীরব, একা, এবং ক্লান্ত।
মানুষ হঠাৎ ভাঙে না—
সে ভাঙে ধীরে ধীরে,
অবহেলার শব্দে,
অপমানের নীরবতায়,
আর অপূর্ণ স্বপ্নের ভারে।
তবুও সে থেমে যায় না—
কারণ থেমে যাওয়া মানে
সবকিছু হারিয়ে ফেলা।
তাই সে বাঁচে,
কষ্ট নিয়ে,
নীরবতা নিয়ে,
আর ভেতরে লুকানো অসংখ্য না বলা কথাকে সঙ্গী করে।
আর একদিন…
এই ভাঙা মানুষটাই
নিজের ভেতর থেকে উঠে দাঁড়ায়,
একদম নিঃশব্দে,
কিন্তু পুরো জীবনের বিরুদ্ধে জিতে যায়।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন