হ্যাঁ—জনতার রায়: গণভোট ২০২৬ ও নতুন বাংলাদেশের আহ্বান
হ্যাঁ—জনতার রায়
— এস এফ সেলিম আহম্মেদ
ভোট মানে ভয় নয়, ভোট মানে আগুন,
অন্যায়ের বুকে জ্বলে ওঠা শপথের কুণ্ডলুন।
মিথ্যার দেয়াল ভাঙার দিন আজ,
একটি শব্দই যথেষ্ট—হ্যাঁ, বজ্রকণ্ঠের আওয়াজ!
কলম উঠুক, হাত কাঁপবে না আর,
জনতার রায়ে কাঁপুক ক্ষমতার দরবার।
চুরি, চক্রান্ত, অন্ধকারের শাসন—
আজই হোক ইতিহাস, আজই হোক অবসান।
গণভোট মানে প্রশ্নের জবাব,
দাসত্ব নয়—এ স্বাধীনতার দাব।
নতুন সংবিধান, নতুন বাংলাদেশ,
হ্যাঁ-তেই লেখা আগামীর স্পষ্ট নির্দেশ।
যুবকের চোখে আগুন, মায়ের বুকে আশা,
কৃষকের ঘামে ভেজা নতুন ভরসা।
হ্যাঁ বললেই বদলে যাবে দৃশ্যপট,
জনগণই মালিক—এটাই চূড়ান্ত ভোট।
চলো একসাথে বলি, দ্বিধাহীন কণ্ঠে,
হ্যাঁ মানে ন্যায়, হ্যাঁ মানে মুক্তি স্পষ্টে।
বারো ফেব্রুয়ারি ইতিহাসের দিন,
হ্যাঁ-তেই জিতবে বাংলাদেশ—এ জনতার শপথচিহ্ন।
আর কতকাল নীরব থাকবে রাজপথ,
আর কতকাল চাপা পড়বে সত্যের শব্দ?
আজ কলম নয়, আজ অস্ত্র ভোট,
হ্যাঁ-তেই ভাঙবে স্বৈরাচারের কোট।
যে রাষ্ট্র মানুষ ভুলে ক্ষমতাকে পূজে,
সে রাষ্ট্র ভাঙে—ইতিহাস নিজেই বুঝে।
হ্যাঁ মানে মানুষ, হ্যাঁ মানে অধিকার,
না মানে অন্ধকার, না মানে বারবার।
শহরের দেয়াল, গ্রামের উঠান,
এক সুরে ডাকুক—হ্যাঁ বাংলাদেশ প্রাণ।
বুদ্ধিজীবী, শ্রমিক, ছাত্র আর কৃষক,
এক কণ্ঠে বলুক—হ্যাঁ-তেই ভবিষ্যৎ।
ভোটের বাক্সে জমা হোক সাহস,
ভয় নয়—আজ জিতুক বিশ্বাস।
যে দেশ রক্তে লিখেছে স্বাধীনতা,
সে দেশ হ্যাঁ বলেই লেখে গণতন্ত্রের কথা।
চূড়ান্ত রায় আজ জনতার হাতে,
ক্ষমতা নয়—সত্য জিতুক রাষ্ট্রের পাতায়।
এই দেশ কারো দয়া নয়, কারো দান নয়,
হ্যাঁ-তেই ঘোষণা—বাংলাদেশ আর নতজানু নয়।
লেখক: এস এফ সেলিম আহম্মেদ
কবি, লেখক ও গবেষক
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন